বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের বর্ধিত সভার স্লোগান “গ্রাম হবে শহর”

প্রাণতোষ তালুকদার, ঢাকা

ঢাকা


বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি ৪ নবেম্বর ২০১৮ থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেন এবং বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি গত ২৯ নবেম্বর ও ৩০ নবেম্বর বর্ধিত সভার আয়োজন করেন এবং তাতে বলা হয় গ্রাম হবে শহর এবং আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানান।
বঙ্গবন্ধুৃ সৈনিক লীগের এবারের স্লোগান “গ্রাম হবে শহর” কথাটির উপর ভিত্তি করে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮; একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সকল নেতা-কর্মীদের উদাত্ত আহ্বান জানান।
বর্ধিত সভায় বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রত্যেকটি সদস্যকে বলেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। উনি যে কাজগুলি করেছেন তা দেশের মানুষকে জানাতে। আবার ক্ষমতায় এলে কাজগুলির পরি সমাপ্তি ঘটিয়ে দেশের দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর ক্ষুধামুক্ত, বৈষম্য ও নির্যাতন সকল কিছুর অবসান ঘটিয়ে এ দেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবেন। আর যদি ক্ষমতায় না আসেন তাহলে উনার কাজগুলো অসমাপ্ত থেকে যাবে। তাই বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সকল নেতা-কর্মীদের বলা হয়েছে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য নিজেদের পরিবার তথা এদেশের সকল জনগণকে জানাতে হবে যে নৌকা মার্কায় ভোট দিলে এদেশ এগিয়ে যায়, উন্নত হয়; যা অতীতে কোন সরকারই পারেনি। দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই পেরেছেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই-১ উৎক্ষেপণ, মেট্রোরেল প্রকল্প (চলমান), পদ্মা সেতু নির্মাণ (দৃশ্যমান), রোহিঙ্গা শরনার্থীদের আশ্রয়দান, সমুদ্র সীমানা বিজয়, উল্লেখযোগ্য ফ্লাইওভার নির্মাণ, হাতিরঝিল প্রকল্প বাস্তবায়ন, ছিটমহল সমস্যার সমাধান, শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি দারিদ্রতার হার নিম্ন পর্যায়, নিবামূল্যে শিক্ষার্থীদের ১ কোটি বই বিতরণ, মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান ও ছুটি নিশ্চিতকরণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, ডিজিটাল সাফল্য ও অনলাইন সেবা প্রদান, যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারদের বিচার সম্পন্ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সফলতা, রেল ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জি.ডি.পি. তে উন্নতিকরণ, জঙ্গী ও সন্ত্রাস দমরে সফলতা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কৃষিতে সফলতা, নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বৃদ্ধিকরণ, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান। বহির্বিশে^র সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি অর্জন, বয়স্ক ভাতা প্রদান, বিদু্যু উৎপাদনে রেকর্ড স্পর্শ, দেশে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, বিধবা ভাতা প্রদান, গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট ও কালভার্ট নির্মাণ সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ২০০৮-এর নির্বাচনে জয়লাভের পর সফলভাবে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি ও সমুদ্রসীমা নির্ধারণ চুক্তি করেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
বিশ্বব্যাংকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শির সমুন্নত রেখে তিনি পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণের মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা উদ্যোগ না নিলে পদ্মা সেতু হতো না। বঙ্গবন্ধু সেতু, বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেলপথ তাঁরই অবদান। দেশ রতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে বাস্তবায়ন হচ্ছে অতিকায় সব মেগা প্রজেক্ট। পদ্মা রেলসেতু সংযোগ প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রামপাল মৈত্রী সুপার থারমাল পাওয়ার প্রজেক্ট, মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট, মহেশখালী এলএনজি টার্মিনাল, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল, ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্প তথা মেট্রোরেল, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর এবং দোহাজারী থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের উদ্যোগ এসবই দেশ রতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যুগান্তকারী কাজ। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তিনি বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া বিদ্যুতের বিপুল ঘাটতি সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করে জনজীবন থেকে লোডশেডিং দূর করেছেন। রাজধানী ঢাকার উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছেন। যার ফলে ঢাকার চেহারাই পাল্টে গেছে। নয়নাভিরাম হাতিরঝিল প্রকল্প, চলাচলের সুবিধার জন্য নিত্যনতুন ফ্লাইওভার দেশ রত্ন শেখ হাসিনার অবদান। মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে দেশের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্যাটেলাইট ক্লাব ও পারমাণবিক শক্তি ক্লাবের গর্বিত সদস্য। দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সুবিধা ভোগ করতে শুরু করেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সবক্ষেত্রে এগিয়ে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দিন তিনি কাজ করেন। ভীষণ পরিশ্রমী, হাস্যোজ্জ্বল এবং আবেগময়ী মানুষ তিনি। ধর্মপ্রাণ হিসেবে প্রতি প্রত্যুষে তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ আদায় করে তবেই তিনি দিনের কাজ শুরু করেন। পিতার মতোই গরিবের প্রতি দরদ অপরিসীম। বঙ্গবন্ধুও গরীব-দুঃখী মানুষকে অকাতরে সাহায্য করতেন। জাতির পিতার কন্যার কাছে গরিব-দুঃখী মানুষ যখন হাত পাতে পিতার মতো তিনিও তাদের সাহায্য করেন। আমাদের দেশে যারা বুদ্ধিজীবী, কবি-সাহিত্যিক, সমাজসেবী, তাঁদের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ান তিনি। একাধিক গ্রন্থের প্রণেতা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বহু পুরস্কার ও খেতাবে তিনি বিভূষিত। পিতা-মাতার মতো সাদামাটা জীবনে অভ্যস্ত শেখ হাসিনা সংস্কৃতিবান এবং খাঁটি বাঙালি নারী।
বাংলাদেশের মানুষের প্রতি শেখ হাসিনার দরদ ও মমত্ববোধ, তাঁর জ্যোতির্ময় পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুুুর রহমানের চেতনা থেকে আহরিত। তবে এটা মনে করার কোনো কারণ নেই যে তিনি কেবল বঙ্গবন্ধুকন্যা হিসেবে পরিচিত; বরং আপন যোগ্যতায় স্বমহিমায় বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে তিনি অধিষ্ঠিত। শুধু বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক নন, আন্তর্জাতিক নেতা হিসেবে ইতিমধ্যে বিশ^জনমত ও নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণে তিনি সক্ষম হয়েছেন।
বর্ধিত সভায় বক্তাগণ বলেন তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধর্মের নামে শোষণ, পীড়ন, বঞ্চনা আর থাকবে না। মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদকে প্রজাতন্ত্রের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণের পাশাপাশি ধর্মের নামে হানাহানি, বৈষম্য ও নির্যাতন অবসানের জন্য ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ রতœ শেখ হাসিনা সকল অশান্তির অবসান ঘটিয়ে শান্তিতে রূপ দিয়েছেন।
দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে ১৯৭৫-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বপ্রদানকারী চার মহান নেতার নৃশংশ হত্যাকান্ডের পর সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ ও ‘সমাজতন্ত্র’ মুছে ফেলা হয়েছিল তা হতে আমরা কিছুটা হলেও মুক্ত হতে পেরেছি যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপেই হয়েছে। আবারও ক্ষমতায় গেলে এদেশকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্য করবেন। যাতে এদেশে আর একজনও দ্ররিদ্র না থাকে। বিশে^র দরবারে উন্নত দেশ হিসেবে আমাদের বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নাই। তাই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও দেশ রতœ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতায় আনার জন্য বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সকল নেতা-কর্মীদের সচেতন হয়ে কাজ করার জন্য বলেন।
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) ও (উত্তর) আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেন গত ৪ নবেম্বর ২০১৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিঃ তালুকদার সারওয়ার হোসেন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ আব্দুল মতিন।
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিঃ তালুকদার সারওয়ার হোসেন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ আব্দুল মতিন বলেন আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করে এদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই এবং বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিশ^ মানবতার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জন্যে। আমাদের বাংলাদেশে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে সারা বিশে^ ‘বিস্ময়কর উত্থানে পৌঁছাবেই। তাই বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছেন যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড, ইউনিট থেকে সদস্য সংগ্রহ করে দ্রুত কমিটি প্রদান করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ^াসী এদেশের সকল জনগণকে আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সকল নেতা-কর্মীবৃন্দকে সচেতন হয়ে কাজ করার জন্য বলেছেন।
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয় যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মোঃ বজলুর রহমান ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক রাজনৈতিক লিয়াজোঁ কর্মকর্তা ছিলেন, তাঁর জন্ম ঃ ১লা নভেম্বর ১৯৪৮, মৃত্যু ঃ ২০শে অক্টোবর ২০১৪ সালে। তাঁর মৃত্যুর পর মন্ত্রিসভার একটি শোকপ্রস্তাব হয় ঢাকা ০৫ কার্তিক ১৪২১, ২০ অক্টোবর ২০১৪ খ্রিঃ তারিখ। শোকপ্রস্তাবে লিখা ছিল বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক সংগঠক মো. বজলুর রহমান ২০ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নলিল্লাহে…..রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।
মো. বজলুর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহান আদর্শ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণমুখী রাজনীতির একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ তারিখে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর তিনি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অবস্থান গ্রহণ করেন। এর কারণে সামরিক শাসকগোষ্ঠী প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে তাঁকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে। অতঃপর তাঁকে মৃত্যুদন্ডের স্থলে কারাদন্ড দেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত তিনি মুক্তিলাভ করেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জনাব মো. বজলুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিয়াঁজো অফিসার হিসাবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিককে হারাল।
মন্ত্রিসভা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংগঠক মো. বজলুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে। মন্ত্রীসভা তাঁর বিদেশী আত্মার শান্তি কামনা করছে এবং তাঁর শোকাসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতা-কর্মীরাও কোনদিন ভুলবে না বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মোঃ বজলুর রহমান এর কথা। তাঁর নীতি ও আদর্শের বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সারা বাংলাদেশে আবারও গণজোয়ার আনবে বলে বিশ^াস বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সকল নেতা-কর্মীদের। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বলেছেন সকল নেতা-কর্মীরা।
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহান আদর্শ ধারণ ও লালন করে বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তি করার জন্য যা যা কিছু দরকার, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে কি কি দিয়েছেন এবং অসমাপ্ত কাজগুলি কি কি তাহা জনগণকে জানানো যে একমাত্র জননেত্রী, বিশ^ মানবতার নেত্রী, দেশ রতœ শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। আবারও তাঁর নৌকা মার্কার প্রতীকে ভোট দিতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবেন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সকল নেতা ও কর্মীবৃন্দ। যাতে আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়ে অসমাপ্ত কাজগুলি সমাপ্ত করতে পারেন; তাই বাংলাদেশের সকল জনগণকে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ। একদিন বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সফল হবেই; তা করছেন ও করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনা। দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে; সেই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতেই হবে বলে জানান ঢাকা মহানগরের উত্তর-দক্ষিণের দুই আহ্বায়ক।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের বর্ধিত সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিলেন- বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিঃ তালুকদার সারওয়ার হোসেন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ আব্দুল মতিন।
ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক সরদার মোঃ আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক নাঈম আহমেদ জুলহাস, ফিরোজ আহামেদ, মোঃ জিল্লুর রহমান, চিন্ময় দাস, কে. এম. তরিকুল আলম তোতা প্রমুখ।
ঢাকা দক্ষিণের আহ্বায়ক মোঃ জাকির হোসেন প্লাবন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ আব্দুর রহমান শেখ, প্রাণতোষ তালুকদার, নাসির আল আমিন পলাশ, অ্যাডঃ মোঃ মাসুদ হাওলাদার প্রমুখ।

You may also like...