ইসলামের মহা মূল্যবান কয়েকটি বাণী

১। তুমি মুমিন হবে তখন , যখন তোমার ভালো কাজ তোমাকে আনন্দ দেবে , আর মন্দ কাজ দেবে মনোকষ্ট।

২। পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক।

৩। রাত্রে ঘন্টাখানেক জ্ঞান চর্চা করা সারা রাত জেগে (ইবাদতে নিরত) থাকার চেয়ে উত্তম ।

৪। যে জ্ঞানের সন্ধানে বের হয় , সে আল্লাহর পথে বের হয়।

৫। আল্লাহ তোমাদের চেহারা সুরত ও ধনসম্পদ দেখবেন না, তিনি দেখবেন তোমাদের অন্তর ও কাজ।

৬। উত্তম চরিত্রের চাইতে বড় মর্যাদা আর নেই।

৭। তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো মানুষ তারা, যাদের আচার ব্যবহার সবচেয়ে ভালো।

৮। যে অংগীকার রক্ষা করে না, তার ধর্ম নেই।

৯। দুনিয়াতে এমন ভাবে জীবনযাপন করো যেনো তুমি একজন গরীব কিংবা পথিক।

১০। অনাড়ম্বর জীবন যাপন ঈমানের অংশ।

১১। নিজের জন্যে যা পছন্দ করো, অন্যদের জন্যেও তাই পছন্দ করবে, তবেই হতে পারবে মুমিন।

১২। জ্ঞানীরা নবীদের উত্তরাধিকারী।

১৩। সবচেয়ে মন্দ লোক জ্ঞানীদের মধ্যে যারা মন্দ তারা, আর সবচেয়ে ভালো লোক জ্ঞানীদের মধ্যে যারা ভালো তারা।

১৪। শিক্ষাদান করো এবং সহজ করে শিখাও ।

১৫। অনুমান ও কুধারণা করা থেকে বিরত থাকো, কেননা অনুমান হলো বড় মিথ্যা কথা।

১৬। যে ভালো কাজের আদেশ করে না এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করে না, সে আমার লোক নয়।

১৭। যে তোমার সাথে বিশ্বাস ভংগ করেছে, তুমি তার সাথে বিশ্বাস ভংগ করো না।

১৮। দান সম্পদ কমায় না।

১৯। যার দুটি দিন সমান গেলো, সে ক্ষতিগ্রস্ত হলো।

২০। প্রতিটি ভালো কাজ একটি দান।

২১। যে কাউকেও প্রতারণা করলো সে আমার লোক নয়। 

২২। তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা করো না, ঘৃণা বিদ্বেষ কারো না এবং পরস্পর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না ।

২৩। তোমাদের মাঝে উত্তম লোক সে, যে তার পরিবার পরিজনের কাছে উত্তম।

২৪। রোগীর সেবা করো এবং ক্ষুধার্তকে খেতে দাও।

২৫। আল্লাহ সকল কিছুর প্রতি দয়া ও সহানুভূতি দেখাবার নির্দেশ দিয়েছেন।

২৬। সত্য কথা বলো, যদিও তা তিক্ত।

২৭। প্রচেষ্টার চেয়ে বড় কোনো যুক্তি নাই।

২৮। রাগে উত্তেজিত হলে চুপ করে থাকো।

২৯। যারা পৃথিবীতে আছে তাদের দয়া করো, তাহলে যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাকে দয়া করবেন।

৩০। যে মানুষের প্রতি দয়া করে না , আল্লাহ তার প্রতি দয়া করেন না।

৩১। সে মুমিন নয়, যে নিজে পেট পুরে খায় আর পাশেই তার প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে।

৩২। মনের প্রাচুর্যই আসল প্রাচুর্য ।

৩৩। মৃতদের গালি দিয়ো না।

৩৪। প্রতিটি শোনা কথা বলে বেড়ানোটাই মিথ্যাবাদী হবার জন্যে যথেষ্ট।

৩৫। তোমাদের সন্তানদের মর্যাদা দান করো এবং তাদের সুন্দর আচার ব্যবহার শিখাও।

৩৬। শক্তিশালী সে, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।

৩৭। যার কর্ম তাকে ডুবায়, তার বংশ তাকে উঠাতে পারে না।

৩৮।তোমরা হবে যেমন, তোমাদের শাসকও হবে তেমন।

৩৯। নেতা হবে মানুষের সেবক।

৪০। সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি উভয় অবস্থাতে ন্যায় কথা বলতে হবে।

৪১। রাগের মাথায় কখনও সিদ্ধান্ত নিও না। 

৪২। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার হলো ভালোবাসা।


সংগৃহীত

You may also like...