গণহত্যার বর্বরতা: প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান ।। বাগেরহাট

গণহত্যা

গণহত্যা-১৯৭১

১৯৭১ সালে বাগেরহাটে ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনা ঘটেছিল। এগুলো ঘটেছিল প্রধানত রাজাকার বাহিনীর দ্বারা। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো বাগেরহাটে হত্যা, নির্যাতন লুটপাট ছিল মুক্তিযুদ্ধকালীন নয় মাসে ‍খুবই সাধারণ ঘটনা। মেরে মেরে লাস ফেলা হতো ভৈরব নদীতে।

বিস্ময়কর এবং দু:খজনক হচ্ছে সেইসব বর্বর রাজাকারেরা বেশিরভাগ সাধারণ মৃত্যুবরণ করেছে, অনেকেই তারা সম্পদশালী হয়েছে, রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছে। এই বাংলাদেশে এসব হয়েছে। তাই স্পষ্টতই ইতিহাসের অনেক দায় রয়েছে।

এখানে একটি ভয়াবহ ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের কথা বলছেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। এটি এতটাই বর্বরতম যে প্রাগঐতিহাসিক যুগের কোনো ঘটনার সাথেও ঠিক মেলানো যায় না।

পিতা বলরাম অধিকারী ও ভাই রমেশ অধিকারীকে পণ বন্দী করে ষোলো বছরের তরুণী মনজু অধিকারীকে রাজাকারেরা পাশ্ববর্তী স্কুল ঘরে নিয়ে যায় সেদিন। সেখানে দশ বারোজন রাজাকার মনজুকে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে মনজুকে নিয়ে রাজাকারদের মধ্যে কাড়াকাড়ি শুরু হয়। এটা ছিল তাদের কাছে খেলা—দুই দল  রাজাকার মনজুর দুই পা ধরে টেনে ছিড়ে ফেলে। এরপর অঙ্গপ্রতঙ্গ কেটে দুই ভাগ করে নেয়!

You may also like...